Verification: 604f510ca357bb64

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি ? Freelancing in Bangladesh

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি ? Freelancing in Bangladesh. আপনি কি অনলাইনে নিজের একটি ক্যারিয়ার দাঁড় করতে চান? মানে আপনি ফ্রিল্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে জয়েন করতে চাচ্ছেন As, a Freelancer হিসেবে। কিন্তু আপনি কিছুতেই বুঝতে পারছেন না যে, ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা আসলে কি? ফ্রিল্যান্সিং ইন্ডাস্ট্রিটা কিভাবে কাজ করে। কিভাবে আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবনে শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত আপনি আপনার নিজের জন্য এই ফ্রিল্যান্স ইন্ডাস্ট্রিতে একটি সম্মানজনক ও লাভজনক ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।

এখনকার এই আলোচনায় Freelancing এর সমস্ত দিক নিয়ে কিছু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করছি তথ্যগুলো সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। একজন অভিজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার, ফ্রিল্যান্সার, কন্টেন্ট রাইটার এবং ব্লগার হিসাবে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নিয়ে আমি আপনাদেরকে কিছু কথা বলব ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ ভালভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।

ফ্রিল্যান্সিং কি এবং ফ্রিল্যান্সিং কেন করবঃ

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্ত জব। ফ্রিল্যান্সিং হল সাধারন জবের এর মতই একধরনের জব। ধরুন, আমরা যদি কোন কোম্পানীতে জব করতে চাই তাহলে তখন আমরা কি করি? ঐ কোম্পানিটি যখন এম্প্লয়ারের জন্য কোন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়। তখন আমরা আমাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসারে সেই কোম্পানিতে নির্দিষ্ট একটি পদের জন্য আবেদন করি বা সিভি জমা দেই।

তারপর সেই চাকরিটি হয়ে গেলে ঐ কোম্পানিতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমাদের কর্মজীবন শুরু করি। তারপর প্রত্যেক মাসের শেষে সেই কাজের জন্য আমাদেরকে একটি নির্দিষ্ট পরিমান বেতন প্রদান করা থাকে সেই পদের জন্য।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ হচ্ছে সেরকমই কিছু কাজ বা জব। অনলাইনে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কাজের ধরনভেদে বিভিন্ন কাজে দক্ষ মানুষদেরকে হায়ার করে থাকে সেই কোম্পানিগুলোর হয়ে বিভিন্ন রকম কাজ করে দেয়ার জন্য। যেমন- নতুন করে যখন কোনো একটি কোম্পানি শুরু হয় তখন তাদের একটি ব্র্যান্ড বা লোগো দরকার হয়। তারপর তাদের একটি পরিচিতি সাইনবোর্ড বা ব্যানার দরকার হয়।

তখন তারা অনলাইনে হায়ার করেন একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের। এছাড়া সেই কোম্পানিটির যদি একটি ওয়েবসাইট তৈরির দরকার হয় তখন তারা হায়ার করেন একজন দক্ষ ওয়েব ডেভলপার কে আছেন তাকে। আবার ধরেন সেই কোম্পানির নিজস্ব লোগো বানানো হয়ে গেল, ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়ে গেল। এখন দরকার ওয়েবসাইটে সেই কোম্পানিটির একটি পরিচিতি, কোম্পানির ধরন, তাদের সেবা, উদ্দেশ্য ইত্যাদি বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখার।

তখন তারা একজন কনটেন্ট রাইটার কে হায়ার করে সেই লেখাগুলো করিয়ে নেন। অর্থাৎ আপনার যে বিষয়ের উপরে দক্ষতা বা স্কিল আছে বা যেই বিষয়টা আপনি জানেন অথবা আপনি ভবিষ্যতে সেই বিষয়গুলো শিখে নিবেন। আপনার সেই দক্ষতার দ্বারা আপনি বিভিন্ন কোম্পানিতে সহযোগীতা করতে পারেন।

যার বিনিময়ে সেই কোম্পানি আপনাকে পেমেন্ট করবে। সুতরাং আপনি যদি অলরেডি কোন কাজ জেনে থাকেন বা অনলাইনে ঘরে বসে করা সম্ভব কোন একটি কাজ জানেন তাহলে সেটা দ্বারা আপনি কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে করে দিয়ে যদি উপার্জন করতে পারেন তাহলে এটাকেই বলে ফ্রিল্যান্সিং।

সাধারন জব ও ফ্রিল্যান্সিং জব এর মধ্যে পার্থক্যঃ

সাধারণ জব এর সাথে ফ্রীলান্সিং জব এর মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। সেটা হচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের কথাই যদি চিন্তা করি। আমরা যদি বাংলাদেশে কোন একটি কোম্পানিতে জব করি। তখন সেটা কিন্তু এক ধরনের ফিক্সড জব করে থাকি। জবের নিয়মানুসারে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অফিস করতে হয় এবং মাস শেষ হলে আমাদেরকে সে কাজের জন্য বেতন প্রদান করা হয়।

কিন্তু একজন ফ্রিল্যান্সার নির্দিষ্ট কোন কোম্পানির জন্য নির্দিষ্ট কোন ফিক্সড জব করেন না। একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে পুরো মাস ব্যাপী কোন ধরনের কাজ তারা করে না। তারা সবসময় কনট্রাক্ট বা চুক্তিবদ্ধ হয়ে কাজ করে থাকেন এবং একত্রে একাধিক কোম্পানির হয়ে কাজ করে থাকেন। এর কোনো বাধ্য বাধকতা নেই যে, এক কোম্পানির কাজ করার সময় অন্য কোন কোম্পানির কাজ করা যাবে না।

ফলে দেখা যায়, একজন ফ্রিল্যান্সার এক মাসের মধ্যেই একাধিকবার পেমেন্ট নিয়ে থাকেন। যেমন একজন লোগো ডিজাইনার এক মাসে ১০টি কোম্পানিকে লোগো তৈরি করে দিল। আবার একজন ওয়েব ডেভেলপার ০৫টি কোম্পানিকে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরী করে দিল। তাহলে সে যথাক্রমে ১০ বার ও ০৫ বারই পেমেন্ট নিতে পারছে। এখন সেই কাজটি যত টাকা মূল্যেরই হোক না কেন।

সাধারণত অনলাইনে কাজের পারিশ্রমিক ডলারে হিসেব করা হয়ে থাকে। এখন প্রত্যেকটি কাজ যদি ৫০ বা ১০০ ডলার হয়ে থাকে তাহলে নিজেই হিসাব করে দেখে নিন কত টাকা একজন ফ্রিল্যান্সার উইথড্র করল। এটা একটি উদাহরণ দেখানো হয়ছে মাত্র। প্রক্রিতপক্ষে এর থেকেও অনেক বেশী ইনকাম করে থাকেন একজন ফ্রিল্যান্সার।

তেমনি ঠিক সাধারণভাবে আমরা যদি কোন প্রাতিষ্ঠানিক ফিক্সড জব করে থাকি। তাহলে পুরো মাসে মাত্র এক বার আর্নিং করে থাকি। তাই ফ্রিল্যান্সারদের আর্নিং একজন সাধারন জব পারসনের থেকে সর্বদা বেশি হয়ে থাকে অনেকাংশে। এখানে মজার বিষয় হলো যে, একজন জব পারসন এর বেতন দেখা যায় বছর শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু একজন ফ্রিল্যান্সারের ইনকাম দিন দিন তিনি যত অভিজ্ঞ হবেন তাঁর ইনকামের পরিমাণও কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ

আর পেমেন্ট যেহেতু ডলারে হয় তাই ইনকামটাও অনেক বেশি হয়। তবে এখানে জব পারসনের সাথে একজন ফ্রিল্যান্সারের এখানে কোন তুলনা করছি না। শুধুমাত্র বোঝানোর জন্য এই উদাহরণটা টানা হয়েছে। আবার যেহেতু আপনি নিজেও ফ্রিল্যান্সার হতে চাচ্ছেন। তাহলে খুঁজে বের করুন যে, আপনার ভিতরে কোন কোন স্কিল বা যোগ্যতাগুলো রয়েছে।

আপনি কোন কাজে ভালোভাবে পারদর্শী রয়েছেন। আর যদি একেবারেই কোন স্কিল আপনার না থাকে। তাহলে আগে যে কোন একটি বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে নিতে পারলেই সেই বিষয়টা দ্বারাই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ করার জন্য এরকম অসংখ্য freelancing websites in bangladesh এ রয়েছে। যেমন- ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদির মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ নিয়ে করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

যেমন ধরুন, আপনি শুধুমাত্র MS Word বা MS Excel পারেন। ভাবনার কিছুই নেই তাতেও চলবে। আপনি এর মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারবেন। আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। অর্থাৎ যে কোন ধরনের কাজেরই অনলাইনে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। যার দ্বারা সহজেই ফ্রিল্যান্সিং পেশা শুরু করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় কিভাবে করবেনঃ

একজন ফ্রিল্যান্সার মূলত এক ধরনের কন্ট্রাক্টর। তারা সর্বদা কন্ট্রাক্ট বেসিসে কাজ করে থাকেন। একজন ফ্রিল্যান্সারের বয়স এখানে কোন ফ্যাক্টর না। যে কোন বয়স থেকেই কোন একটি স্কিল ডেভেলপ করেই কাজ করে ইনকাম যায়। অনেকে চাকরী জিবন শেষ করে এখন অনলাইনে কাজ করছেন এবং প্রচুর টাকা ইনকাম করছেন।

ফ্রিল্যান্সাররা মূলত কোন ফিক্সড জবে কাজ করেন না। একটা স্বাধীনতা রয়েছে ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে। তারা চাইলে এক মাসে ১০ দিন ২০ দিনের জন্য কাজ করতে পারেন। আবার নাও করতে পারেন। মন চাইলে করবে নয়ত করবেনা। এরকম একটি স্বাধীনতা আছে freelancing লাইফে।

 

আরও পড়ুনঃ

০১। কিভাবে ঘরে বসে নিজেই নিজের ই-পাসপোর্ট তৈরি করবেন।

০২। কিভাবে ঘরে বসে বিনা মূল্যে নিজের নামে Tin Certificate তৈরি করবেন।

 

এভাবে অনলাইনে কাজ করে যেমন অনেক বেশি আয় করাও সম্ভব। তেমনি কিছুটা ইনসিকিউরিটিও রয়েছে এখানে। যদি আপনার কাছে কোন ক্লায়েন্টই না থাকে। আপনি যদি কোথাও কোনো ক্লায়েন্ট না পান তাহলে আপনার ইনকাম না হওয়ার চান্স আছে।

তাই আপনি যদি কোন বিষয়ে খুব ভাল ভাবে স্কিল ডেভেলপ করে নিতে পারেন। তাহলে আপনার বেকার বসে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই ফ্রিলান্সিং পেশায় আসতে হলে প্রথমে যে কোন একটি বিষয়ে পারদর্শী হয়ে নিতে হবে। তারপর যে কোন একটি মার্কেটপ্লেসে জয়েন করার মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানি কে সহযোগিতা করে আপনি সুন্দর একটি ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ এবং ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়ঃ

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজের নির্দিষ্ট কোন গণ্ডি নেই। আপনি যখন মার্কেট প্লেসে জয়েন হবেন। দেখবেন যে, এক একজন ফ্রিল্যান্সার একেক ধরনের কাজ করে দিয়ে ইনকাম করছে। আর তাদের কাজের রেটিং ও ফিডব্যাকও অনেক ভাল। যেমন- আর্টিকেলের জন্য কি ওয়ার্ড রিসার্চ করে দেয়া, আর্টিকেল লিখে দেয়া, ওয়েবসাইট সাজিয়ে দেয়া, লোগো বানানো, ব্যানার তৈরি, কপি পেস্ট, ভাষা রুপান্তর, মার্কেটিং, কভার পেইজ ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন সহ ফটোশপের বিভিন্ন কাজ, ভিজিটিং কার্ড তৈরি, এস ই ও (search engine optimization), Auto CAD Design বা ঘর বাড়ি, ফ্যাক্টরি, জাহাজের নক্সা তৈরি, ই-কমার্স, ফেসবুকের পেইজ তৈরি, ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রদান, পেইজ লাইক এনে দেয়া সহ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কাজ শিখে আপনি ফ্রিল্যান্স মার্কেটগুলোতে কাজ করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ ছাড়াও আর কি কি উপায়ে ইনকাম করা যায়ঃ

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করা ছাড়াও আপনি বিভিন্ন উপায়ে আপনার ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে পারেন। যেমন ইউটিউবিং, ব্লগিং, ই কমার্স বিজনেস ইত্যাদি করার মাধ্যমে। বর্তমানে এই তিনটি প্রফেশন বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে তরুন তরুণীদের মধ্যে।

যে কেউ চাইলেই একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিভিন্ন বিষয়ের উপরে ভিডিও তৈরি করে সেটা ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন। এখান থেকেও খুব সহজে ক্যারিয়ার ডেভলপ করতে পারেন। এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয় হল ব্লগিং। এর জন্য দরকার হবে একটি ওয়েবসাইটের। এই ওয়েব সাইটে আপনি যে বিষয়ের উপরে দক্ষ সে বিষয়ের উপর কন্টেন্ট লিখে পাবলিশ করতে পারেন। যেমন খেলাধুলা, সাহিত্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, খবর ইত্যাদি এগুলোর উপরে লেখা। এভাবে একটা ওয়েবসাইটে ব্লগিং করার মাধ্যমেও ক্যারিয়ার ডেভলপ করা যায়।

এছাড়া আপনার যদি একটি জি মেইল আইডি থাকে। তাহলে চাইলে আপনি ফ্রিতেও ব্লগিং শুরু করতে পারেন। যা পরবর্তীতে পেইড ভার্সনে যেতে পারবেন। এজন্য গুগলের প্রতিষ্ঠান ব্লগার এ একটি ব্লগস্পট সাইট খুলে শুরু করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং ছাড়াও অনলাইনে ক্যারিয়ার তৈরি করার আরেকটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট সেল করা। যেটাকে সহজ ভাষায় ই কমার্স বিজনেস বলা হয়। এই ই কমার্স বিজনেসটি আপনি ওয়েবসাইট অথবা একটি ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে করতে পারেন। আপনার যদি প্রডাক্ট সেলের উপরে দক্ষতা থাকে তাহলে ই কমার্স বিজনেসটি করতে পারেন।

অর্থাৎ ইউটিউবিং, ব্লগিং বা ই কমার্স বিজনেস করা এগুলোতে আপনি কিন্তু কোন ফ্রিল্যান্সিং করছেন না। এর পরিবর্তে যেটা হবে সেটা হল নিজের একটি কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান আপনি শুরু করছেন অনলাইনে। আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল খোলা মানে হলো আপনি অন্য কারো জন্য কাজ করছেন না। অর্থাৎ আপনি আপনার নিজের জন্য কাজ করছেন। এগুলোর সবচাইতে বড় সুবিধা হল আপনি মোবাইল দিয়েই এগুলো করতে পারবেন।

এখানে ইউটিউবে একটি চেনেল খুলে আপনি আপনার স্বধিন মত ভিডিও তৈরী করে আপলোড করতে পারছেন। কিভাবে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে নিজের একটি সুন্দর অনলাইন ক্যারিয়ার তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও দেওয়া আছে।

এছাড়া ব্লগিং করা, ই কমার্স বিজনেস কিভাবে শুরু করবেন তার সবকিছুই আপনি বিস্তারিতভাবে ইউটিউব থেকে ভিডিও লেসন দেখে শিখে নিতে পারবেন। এরকম অসংখ্য পথ খোলা আছে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করার জন্য। অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য।

এভাবে আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে বিভিন্ন কোম্পানিকে সহযোগিতা করতে পারেন তাদের ইন্ডাস্ট্রিকে আরও ডেভেলপ করতে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়গুলোও আপনি জেনে গেলেন। যাতে করে এগুলোর পাশাপাশি আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে আপনি কোনটা করবেন বা কোন কাজটা আপনি সহজে বুঝতে পারছেন।

ফ্রিল্যান্সিং কোথায় শিখব বা ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবোঃ

Freelancing course in bangladesh বা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ শিখতে চাইলে আপনি যে কোন প্রতিষ্ঠান থেকেও এগুলোর কোন একটি কোর্স করে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। এখন প্রত্যেকটি জেলা শহর থেকে শুরু করে মফস্বল শহরগুলোতেও এরকম প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। নিজে ফ্রিল্যান্সিং না করে অন্যদের শিখিয়েও অনেকে ইনকাম করছেন।

আপনি এসব প্রতিষ্ঠান থেকে শিখে শুরু করে দিতে পারে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার। আবার অনলাইনেও এখন সব ধরনের ফ্রিল্যান্সিং কোর্স শিক্ষা যায়। তবে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হবার আগে কম্পিউটারের বেসিক নলেজগুলো আপনার জানা থাকা জরুরী। আপনার যদি এগুলোর কিছুই করার মত সামর্থ্য না থাকে তাহলে শুধুমাত্র ইউটিউব চ্যানেল থেকে দেখে দেখেও শেখা শুরু করতে পারেন অনলাইন আর্নিং। শুরু করতে পারেন আপনার অনলাইন ক্যারিয়ার।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ সম্পর্কিত কিছু পরামর্শঃ

Freelancing work in bangladesh এ ফ্রিল্যান্সিং কে ক্যারিয়ার হিসাবে নামার আগে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ ভালোভাবে শিখে তারপর শুরু করা ভালো। নচেত ক্লায়েন্ট হারাতে হবে। প্রয়োজনে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলো আগে ঘুরে ঘুরে দেখে নিবেন  কোন্ ফ্রিল্যান্সার কি কি কাজ করে ইনকাম করছে ও তাদের রেটিং কতটুকু। তারা কিভাবে কাজ করেন, কত দিনের মধ্যে কাজ জমা দেন। তাদের রিভিও কতগুলো।

আপনি যে কাজই করুন না কোন সেটাই মনোযোগ দিয়ে ভালোভাবে কাজ শেষ করতে চেষ্টা করুন। তাহলে সেই কাজটির বিনিময়ে আপনিও ভালো ফিডব্যাক পাবেন। ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ শিখতে প্রয়োজনে এই লাইনে সিনিয়রদের কাছ থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন। এ সম্পর্কিত আরও কিছু জানার থাকলে নিচে থাকা কমেন্টস বিক্সে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আপনাদের প্রশ্নগুলো।

4 thoughts on “ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ সমূহ কি কি ? Freelancing in Bangladesh”

  1. আমি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখতে চাই কিন্তু কিভাবে করবো বা কার কাছ থেকে শিখবো বুঝতে পারছিনা। যদি কোনে পরামর্শ দেন তাহলে অনেক উপকার হয়।

    Reply
    • ধন্যবাদ আপনার আগ্রহের জন্য। আপনি কি করেন, কোন কাজ জানেন কিনা এবং আপনার ডিটেলসটা দেন।

      Reply
      • আমি MS Word এবং MS Excel এর কাজ জানি আমি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাই,
        আমাকে কোন পরামর্শ দিতে পারেন

        Reply
        • জি। অবশ্যই আমি আপনাকে পরামর্শ দিতে পারব। আপনি আমার ফেসবুক আইডিতে নক দিন।

          Reply

Leave a Comment

error: Content is protected !!