কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম কি কি? কাঁচা হলুদের উপকারিতা ও অপকারিতা

91
কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম

কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম সমূহ কি কি ? কাঁচা হলুদ ত্বকে লাগালে ও খেলে এর উপকারিতা ও অপকারিতাগুলো কি কি ? এর সব কিছুই এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনার ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল করতে কাঁচা হলুদ ম্যাজিকের মতো কাজ করে। হলুদের মধ্যে রয়েছে কারকিউমিন নামক একটি বিশেষ জাদুকরী রাসায়নিক উপাদান যা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়।

হলুদে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন- সি সহ ইত্যাদি অসংখ্য উপকারী উপাদান। হলুদ বাহ্যিকভাবে ত্বকে ব্যবহার ও খাওয়া দুইভাবেই ব্যবহার করা যায়। কাঁচা হলুদ খেলে হলুদে থাকা কারকিউমিন এর প্রভাবে ত্বকের রং ফর্সা হয় ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যাই হলুদের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব।

সেই প্রাচীন কাল হতে রূপচর্চায় ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় কাঁচা হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। হলুদকে বলা হয় সোনালী মসলা। কথায় আছে কাঁচা সোনার মত ত্বক পেতে চাইলে ভরসা রাখতে হবে কাঁচা হলুদের উপর। তাই ত্বকের ধরণ জেনে ও বুঝে হলুদ ব্যবহার করলে উপকার পাবেন অবশ্যই। চলুন কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম সমূহ জেনে নেই।

ত্বকের যত্নে কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম

রূপচর্চা ও ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যায় আমরা ত্বকে হলুদ ব্যাবহার করে থাকি। তাই এখানে কয়েকটি উপকারী টিপস বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। যেই পদ্ধতিটি আপনার নিকট সহজ মনে হবে অথবা আপনার জন্য যেটা ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন বলে মনে করেন সেটাই ব্যাবহার করে দেখুন। চলুন জেনে নেই ত্বকের কোন কোন ক্ষেত্রে আমরা কাঁচা হলুদ ব্যাবহার করতে পারি।

ক) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেঃ প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে অথবা সকালে ঘুম থেকে উঠার পর এক গ্লাস দুধের সাথে এক চা চামুচ পরিমাণ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খেলে ধীরে ধীরে ত্বকের রং ফর্সা হতে শুরু করে। এটা আপনার রক্ত পরিষ্কার করে ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলে। এক টুকরা কাঁচা হলুদ আপনি অল্প পরিমাণে মধু, চিনি কিংবা গুড়ের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন। যদি সরাসরি আপনার কাঁচা হলুদ খেতে অসুবিধা হয়।

খ) ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে ফর্সা করতেঃ এটি একটি খুব প্রচলিত ও কার্যকরী একটি পদ্ধতি। প্রথমে এক টেবিল চামুচ আলুর রসের সাথে এক টেবিল চামুচ দুধ ও এক টেবিল চামুচ বেসন ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর মেশানো হয়ে গেলে এর সাথে এক টেবিল চামুচ চন্দন গুঁড়া একত্রে মিশিয়ে সুন্দর একটি প্যাক বানিয়ে নিন।

এখন এই প্যাকটি আপনার ত্বকে ভাল করে লাগান। প্যাকটি লাগানোর ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পরিস্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার ত্বক আগের থেকে অনেক ফর্সা হয়ে ত্বকের শুষ্কতাও দূর করে ত্বককে প্রাণবন্ত ও সুন্দর দেখাবে।

গ) ত্বকের বলি রেখা দূর করতে ও সতেজতা ধরে রাখতেঃ সমপরিমাণ কাঁচা হলুদ ও মসুর ডাল একসাথে মিহি করে বেটে পেস্ট তৈরি করে বিশ মিনিট পর্যন্ত মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর পরিস্কার পানি দিয়ে আপনার মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার মুখের সতেজতা বজায় থাকবে। লাল টুকটুকে ত্বক পেতে এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে। এই মিশ্রণটির সাথে দুধের সর মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বকের  বলিরেখা দূর হয়ে ত্বক থেকে বয়সের ছাপ কমে যাবে।

ঘ) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও মসৃণ করতেঃ আপনার অনুজ্জ্বল ত্বকের উজ্জ্বলতাকে ফিরিয়ে আনতে ও ত্বককে মসৃণ করতে এই পদ্ধতিটি খুবই ভাল একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি কিন্তু দুইভাবে করা যায়। যেমন-

               প্রথম পদ্ধতিঃ মিশ্রণটি বানাতে এক টেবিল চামুচ হলুদের গুঁড়ার মধ্যে এক টেবিল চামুচ লেবুর রস অথবা শসার রস মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এই মিশ্রণটি আপনার ত্বকে ভালকরে লাগিয়ে পনেরো মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। তাহলে আপনার ত্বক অনেক মসৃণ হবে এবং নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা অনেকগুনে বৃদ্ধি পায়।

               দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ সমপরিমানে কাঁচা হলুদ ও শুকনো কমলার খোসা একসাথে বেটে ভাল করে মিশিয়ে সুন্দর একটি মিশ্রণ বানিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণটিকে ত্বকের স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা অনেক বেড়ে যাবে।

               এছাড়া এই স্ক্রাবার এর সাথে যদি নিমপাতা যোগ করেন তাহলে আপনার ত্বকের যে কোনো চর্ম রোগ থাকলে তা সেরে যাবে। কাঁচা হলুদ ও নিমপাতা একত্রে বেটে কয়েকদিন লাগালে বসন্ত বা চুলকানির দাগ থাকলে সেগুলো মিলিয়ে যাবে ও ত্বক ফর্সা করবে।

ঙ) ত্বকের ময়লা পরিস্কার করে ত্বকের তারুণ্য ফিরিয়ে আনতেঃ আপনার ত্বক থেকে ধুলা ময়লা দূর করে ত্বককে অনেক উজ্জ্বল, মসৃণ ও প্রাণবন্ত করতে এই মিশ্রণটির জুড়ি নেই। এটা খুবই কার্যকরী একটি পদ্ধতি। এই মিশ্রণটি বানাতে সমপরিমাণ কাঁচা হলুদবাটা, বেসন, চালের গুঁড়া ও টকদই একসাথে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে আপনার মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। তবে বিশ মিনিটের বেশী নয়। তারপর সুন্দর করে ধুয়ে ফেলুন।

এভাবে আপনি সপ্তাহে মাত্র তিন দিন ব্যবহারেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে অনেক উজ্জ্বল ও মসৃণ। এটি আপনার ত্বক থেকে ময়লা কালো দাগ পরিষ্কার করার সাথে সাথে আপনার ত্বকের তারুণ্যকে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

চ) রোদে পোড়া দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতেঃ প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে নিজেদের প্রজনেই আমাদের বাইরে যেতে হয়। ফলে ত্বকের কিছু জায়গা পুড়ে কালো দাগ পড়ে যায় এবং সাথে সাথে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও মসৃণতা নষ্ট হয়ে যায়। এর থেকে মুক্তির জন্য কাঁচা হলুদের এই চমৎকার টিপসটি ফলো করে দেখুন। কারণ পোড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে হলুদের তৈরি ফেসপ্যাক দ্রুত কাজ করে।

সমপরিমাণ কাঁচা হলুদ ও মসুর ডাল একসাথে বেটে নিয়ে এর সাথে মুলতানি মাটি ও গোলাপজল মিশিয়ে ভাল করে পেস্ট তৈরি করে আপনার আক্রান্ত ত্বকে কিছুদিন নিয়মিত লাগান। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ফর্সা ও মসৃণ। আর রোদে পোড়া দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদ বাটা, মসুর ডাল বাটা ও মধু একসাথে মিশিয়ে তারপর ত্বকে লাগাতে হবে।

এছাড়া কাঁচা হলুদের সাথে কাঁচা দুধ অথবা টক দই একত্রে মিশিয়ে পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে নিলেও ত্বকের কালচে ভাব দূর হয়ে যায়। আর ত্বকে ফিরে আসে উজ্জ্বলতা।

ছ) চোখের নিচে কালো দাগ ও বলি রেখা দূর করতেঃ এক টেবিল চামুচ হলুদ বাটা, এক টেবিল চামুচ টক দই ও এক টেবিল চামুচ টমেটোর রস মিশিয়ে চোখের চারপাশে লাগিয়ে দশ থেকে পনেরো মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে নিয়মিত করে কয়দিন করলে চোখের নিচের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।

আরেকটি পদ্ধতি হলো দুই/তিন চিমটি হলুদ গুঁড়ার সাথে মাখন মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে চোখের নিচে বিশ মিনিট রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা পানি দ্বারা চোখ ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার চোখের নিচের কালো দাগ দূর করা সহ বলি রেখাও দূর করে দিবে।

জ) পা ফাটা দূর করতেঃ খাঁটি নারিকেল তেলের সাথে কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পায়ের গোড়ালিতে কিংবা পায়ের তলায় ফাটা অংশে পনেরো মিনিট রেখে ধুয়ে নিলে পায়ের ফাটা দূর হয়ে পায়ের ত্বক কোমল ও মসৃণ হয়।

ঝ) মুখের মেসতা ও ব্রণ দূর করতেঃ দুই টেবিল চামুচ হলুদ গুঁড়ার সাথে দুই চামুচ আঙ্গুরের রস ও এক টেবিল চামুচ গোলাপজল মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগালে মেসতা ও ব্রণ দূর হয়ে যায়। ব্রণ দূর হয়ে মিলিয়ে যাবে ও কোনো ইনফেকশন থাকলে সেটাও থাকবে না।

ঞ) মুখের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতেঃ অনেকের মুখে অবাঞ্ছিত লোম হতে দেখা যায়। তাই সেগুলো দূর করতে চাইলে এক টেবিল চামুচ হলুদ বাটার সাথে দুই টেবিল চামুচ দুধ ও তিন টেবিল চামুচ বেসন মিশিয়ে লাগিয়ে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শুকিয়ে গেলে ঘষে তুলে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে এই সমস্ত অবাঞ্ছিত হেয়ার গ্রোথ কমে যাবে।

কাঁচা হলুদ ব্যাবহারের সঠিক নিয়ম

অনেকেই আছেন কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম কি সেটা জানেন না। আপনার ত্বকে হলুদ ব্যবহারের আগে ভালো করে এর ব্যবহারবিধি জেনে নিতে হবে। নইলে আপনার ত্বকের ক্ষতিও হতে পারে। তাই চলুন এর সাবধানতাগুলো জেনে নেই।

০১। হলুদ সরাসরি ত্বকে ব্যাবহার করা উচিত নয়। হলুদ সবসময় অন্য কোন উপাদান যেমন পানি, তেল, বেসন, চন্দন গুড়া, চালের গুড়া ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। আর দিতে হবে খুবই অল্প পরিমাণে। বিশেষ করে মুখে দেয়ার কোন প্যাকে।

০২। ত্বকে হলুদ লাগিয়ে কখনো রোদে বের হবেন না বা রোদ লাগানো যাবেনা। তাহলে ত্বক পুড়ে যাবে।

০৩। সপ্তাহের দুই তিন দিনের বেশী কোন প্যাক ব্যবহার করা যাবে না। অতিরিক্ত বা বেশী ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হয়। ত্বকের স্বাভাবিক তৈলাক্ততা নষ্ট হয়ে যায়।

০৪। ত্বকে হলুদের প্যাক লাগানোর পর বিশ মিনিটের বেশি রাখবেন না। এর চেয়ে বেশি সময় ধরে রাখলে ত্বক কালো হয়ে যেতে পারে। মুখ ধোয়ার সময় এর কার্যকারিতা ধরে রাখার জন্য সাথে সাথে সাবান বা ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন না।

০৫। বিশেষজ্ঞদের মতে দৈনিক কাঁচা হলুদ খেতে হলে ৬০০ থেকে ৭০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত খাওয়া যায়। তবে দীর্ঘদিন একটানা কাঁচা হলুদ খাওয়া যাবে না।

০৬। রূপচর্চায় শুকনো হলুদের গুড়ার চাইতে কাঁচা হলুদ ব্যবহারে করা ভালো কাজ করে। কাঁচা হলুদ দীর্ঘদিন সংগ্রহ করে রাখতে চাইলে কাঁচা হলুদ ছোট ছোট টুকরা করে কেটে নিয়ে রোদে শুকিয়ে ও পরে গুঁড়া করে কাচের পাত্রে ভরে রাখুন।

০৭। রোজ সকালে উঠে খালি পেটে কাঁচা হলুদ নিয়ম করে খেলে অনেক সমস্যা ও রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অনেক রোগের সম্ভাবনাকেউ কমিয়ে দেয়।

কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার ফেসপ্যাক

আপনাদেরকে বোনাস হিসাবে এই কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাকটি শেয়ার করে দিলাম। প্রথমে একটি বাটিতে দুই টেবিল চামুচ বেসন নিয়ে নিন। তারপর এই বেসনের সাথে চার টেবিল চামুচ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে দিন। আর সবশেষে এক টেবিল চামুচ মধু মিশিয়ে সবগুলো উপাদান একত্রে ভাল করে পেস্ট বানিয়ে নিন।

এখন এই মিশ্রণটি আপনার স্কিনে ব্যবহারের আগে ব্যাবহারের স্থানগুলো ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর আপনার স্কিনে এপ্লাই করুন। এভাবে লাগিয়ে বিশ মিনিট পর ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। এখানে বেবহৃত বেসন আমাদের ত্বক পরিষ্কার করতে খুব কার্যকরী একটি উপাদান। বেসন আমাদের স্কিনের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বল ও ফর্সা বানাতে সাহায্য করে।

আর হলুদে আছে ভিটামিন- সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম যা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে স্কিনকে ফর্সা করে তুলে। হলুদ স্কিনকে ময়েশ্চারাইজ করে রাখে। হলুদে থাকা ম্যাগনেসিয়াম স্কিনকে গ্লোইং করে তুলে। হলুদ ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে।

তবে এটি একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, হলুদ ত্বকে লাগিয়ে কখনো রোদে যাওয়া যাবেনা। সর্বচ্চ বিশ মিনিট পর আলতো করে ম্যাসেজ করে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। তাহলে দেখবেন এই প্যাকটি মাত্র একবার ব্যবহারেই আপনার ত্বক অনেক ফর্সা ও সুন্দর লাগছে। আর সবসময় আপনার ত্বকের সৌন্দর্য বা সুন্দর ত্বক পেতে এই ফেসপ্যাকটি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ব্যবহার করুন।

এতক্ষণ আমরা কাঁচা হলুদ মুখে দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে অনেক কিছুই জানলাম। আশা করি সবগুলি উপায় আপনাদের উপকারে আসবে।

পূর্ববর্তী আর্টিকেলআপনার হাত পা কোমল ও সুন্দর রাখার গোপন টিপস।
পরবর্তী আর্টিকেলটমেটো ফেসিয়াল কিভাবে করবেন। The Exclusive Tomato Facial At Home

একটি মন্তব্য করুন

এখানে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহপূর্বক আপনার নাম লিখুন